সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা আয়ের উপায়
ফোন দিয়ে ঘরে বসে ইনকাম করে আয় করার অনেকগুলো উপায় রয়েছে। সে ক্ষেত্রে
সবার আগে প্রয়োজন আমাদের ইন্টারনেট সংযোগ যা সহযোগিতায় আমরা ঘরে বসে খুব
অনায়াসেই ইনকাম করে সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে থাকতে
পারি।চলুন দেখে নেয়া যাক কি কি উপায়ে।
এ পথ অনুসরণ করে সহজেই অনেকে ঘরে বসে আয় করে যাচ্ছে। সাধারণ হাতে থাকা
ফোনটি দিয়ে মূল্যবান প্রধান অস্ত্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে টাকা ইনকাম
করার। এটি দিয়ে আজ হাজারো মানুষ এ পথ বেছে নিয়েছে। এবং আগামী ভবিষ্যৎ
গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ ফোনটাকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়ে।
পোস্ট সূচিপত্রঃ ঘরে বসে হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি দিয়ে ইনকাম করার ১০ টি উপায়
- বাংলা কনটেন্ট লিখে ইনকাম Blogger
- ভিডিও এডিটিং করে ইনকাম Canva/capcut
- অনলাইনে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে
- ঘরে বসেই এফিলেট মার্কেটিং করে drop shiping
- বাংলা ভিডিও কিংবা ছবির জন্য ভয়েস ব্যবহার করে ইনকাম voyce recoding
- প্রতিদিন ব্লগ তৈরি করে ইনকাম you tube
- ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে ইনকাম facebook/you tube
- অনলাইন ব্যবসা করে ইনকাম
- দৈনন্দিন জীবনে তথ্য সরবরাহ করে ইনকাম Information
- যেকোনো ধরনের গল্প কিংবা পদ্য বিক্রি করেন ইনকামStory
ঘরে বসে হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি দিয়ে ইনকাম করার ১০ টি উপায়
আপনি যখন হাতে থাকা ফোনটা দিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে শুরু
করবেন তখনই বুঝতে পারবেন হাতে থাকা ফোনটি শুধুমাত্র একটি সাধারণ ডিভাইস নয়
এটি একটি আপনার ভবিষ্যতের প্রধান চাবিকাঠি যা আপনার ভাগ্যকে বদলে দিতে পারে
এবং আপনার সামান্য কিছু পরিশ্রমের দ্বারা আপনার সারা জীবনটাকে সুন্দর
আকর্ষণীয় হিসেবে করে তুলবে চলুন আজ জেনে নেয়া যাক কি সেই ১০ টি উপায় যার
দাঁড়া আমরা ঘরে বসে থেকে হাতে মোবাইল ফোনটি দিয়ে অনায়াসে ইনকাম করতে
পারি। আপনাদের মধ্যে অনেকেই ভেবে থাকতে পারেন এটি কি আসলেই সম্ভব হ্যাঁ,
একদম সম্ভব। আর জানেন কি? এটা সত্যিই একটি রোমাঞ্চকর জীবনধারা।
সর্বপ্রথম পথ বাংলা কনটেন্ট লিখে আয়। এটি এমন একটি আয়ের পদ্ধতি যা
বর্তমান যুগে অনেকটা অবদান রেখেছে পৃথিবীর বুকে এটার দ্বারা মানুষ আনন্দ,
কষ্ট, ভালোবাসা, ত্যাগ, আত্মসম্মান, লজ্জাবোধ, এগুলোকে তার মধ্যে ফুটিয়ে
তোলে আর সবথেকে বড় বিষয়। এটি একটি শুধুমাত্র হাতে লেখা গল্প নয় এ
গল্পটিকে বাস্তবের সাথে রূপ দেওয়া হয়। এবং বর্তমান দুনিয়াতে এটি এক খুবই
প্রচলিত একটি বিষয় চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে। বর্তমানে আমরা টেলিভিশনে
বিভিন্ন ধরনের ছবি নাটক গল্প কাণ্ডকলাপ দেখে থাকি কখনো আমাদের মনে হয় না
যে এগুলো কোথায় থেকে আছে এ গল্পগুলো কিভাবে তৈরি হয় কিংবা কে বা এগুলো
তৈরি করে। জি ভাই আপনি একদম সঠিক এগুলো আসলে মানুষই তৈরি করে এবং এটি কেনা
বেচা হয় এই যে চিন্তাভাবনা থেকে তৈরি হওয়া গল্প কিংবা একটি রাইটার যখন
বিভিন্ন গল্প কাণ্ডকলাপ লিখে থাকে তাদের কাছে বিভিন্ন শুটিংয়ের যারা
Director এগুলো কিনে থাকে এবং তা তার দল ও সংঘ সাথী মিলে সেটাকে বাস্তবায়ন
করে থাকে।
ঠিক একইভাবে আর্টিকেল রাইটিং লিখে আরো অনেক দিক থেকে আয় করা সম্ভব যেমন
বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট গুলো আসলে আমাদের কাছে কিছু
ক্যাপশন কিংবা লোগো কিংবা তাদের সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় কথা লিখে নিতে
পছন্দ করে আমরা যদি তাদের জন্য কিছু ক্যাপশন কিংবা আকর্ষণীয় কিছু কথা
তাদের জন্য লিখে দিতে পারে তারা আমাদেরকে হিউজ পরিমাণ পেমেন্ট দিতে পারে
কিংবা সেখান থেকে আমরা আয় করে থাকতে পারি।এছাড়া আরো অনেক দিক রয়েছে যা
আমাদেরকে আর্টিকেল রাইটিং লিখে ইনকাম করতে পারব তার মধ্যে আরো একটি হচ্ছে
ব্লগারে আর্টিকেল লিখে আয় মূলত এখানে একটি ব্লগার ওয়েবসাইট থাকবে এবং
সেখানে নিত্যদিনের দৈনন্দিন জীবনে ঘটে যাওয়া গল্প কিংবা বিভিন্ন চাঞ্চল্য
সম্পন্ন কাল্পনিক বা সত্য ঘটনাকে ঘিরে যা লেখালেখি করা হয় এবং তারপরে গুগল
দ্বারা জাস্টিফাই করে সেখান থেকে একটি হিউজ পরিমাণ আমরা পেয়ে থাকি এটা
শুধুমাত্র এখানে সীমাবদ্ধতা না এটা আসলে এমন একটি সোশ্যাল ওয়েব সাইট যা
বর্তমানে একটি অতি পরিচিত একটি সাইট এবং এখান থেকে আজ অনেকেই সাফল্যের দিকে
এগিয়ে গিয়েছে এবং তা বাস্তব প্রমাণ হিসেবে বিশ্বে কিছু নাম করা রাইটারও
রয়েছে দেখার মতন।
আরো পড়ুনঃ শরীরকে সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিদিন যেগুলো করণীয়
এছাড়া এই সাধারণত লেখার মধ্য দিয়ে ব্যতীত আরো কিছু পথ রয়েছে যা আমরা
আর্টিকেল রাইটিং এর মধ্য দিয়ে ইনকাম করে থাকতে পারি যেমন বিভিন্ন ধরনের
গল্প কিংবা ছন্দ তাছাড়া কোন জিনিসের প্রোডাক্ট বা বিভিন্ন ধরনের বিজনেস
রিফান্ড এর উদ্দেশ্য হলো যে কোন গল্প কিংবা মূল্যবান জায়গাতে আমরা এমন
কিছু প্রোডাক্ট এর লিংক কিংবা ছবি বা তাছাড়া কোন ওয়েবসাইট এ ছাড়া কোন
কোম্পানিকে যোগ করতে পারি কিংবা লিংক সেট করে সেখানে সরাসরি আমরা সেই
প্রোডাক্ট বা কোম্পানির রেফারেল দিতে পারি এতে আমাদের সে ব্যক্তি টা সরাসরি
ভাবে সে প্রোডাক্টের সমন্বয় পৌঁছে যাবে এবং সে প্রোডাক্ট কিনতে তার সহজেই
আকর্ষণটা বেড়ে যাবে এতে করে আমরা অনেক সময় আর্টিকেল রাইটিং এর মধ্য দিয়ে
এ ধরনের কিছু শর্ট পরিমান ইনকাম করে থাকতে পারি এতে একই সাথে দুই দিক থেকে
একটি হলো একটিভ ইনকাম এবং অপরটি প্যাসিভ ইনকাম দুই ধরনের ইনকামে আমরা এখান
থেকে আয় করে থাকতে পারি এটাই মূলত আর্টিকেল রাইটিং এর মেন উদ্দেশ্য ও
সাফল্যের প্রধান চাবিকাঠি এখানে লিখতে হলো আপনাকে যথেষ্ট অভিজ্ঞ এবং ভালো
এর সম্পর্কে জানতে হবে বা যে প্রোডাক্ট কিংবা যার সম্পর্কে লিখছেন অন্য
ক্রেতাদের থেকে আপনাকে সে জিনিসটা সম্পর্কে ভালো জানতে হবে এতে আপনি তার
সম্পর্কে সঠিক মূল্যায়ন ও একটি ভারপ্রাপ্ত কর্মসূচি দ্বারা সেটা কে পূরণ
করতে পারবেন কিংবা সম্পূর্ণ করবেন।
কোথায় থেকে কিভাবে শুরু করব
এখন প্রশ্ন হল কিভাবে শুরু করবেন? সর্বপ্রথম আমাদের একটি স্মার্ট ফোন
প্রয়োজন এবং সেখানে সবার আগে দেখে নেওয়া উচিত ইন্টারনেট সংযোগ আছে কি নেই
যদি না থাকে তাহলে আমরা ইন্টারনেট সংযোগ টা নিয়ে নিব এবং নেওয়ার পরে আমরা
অনলাইনে কিছু এ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করবো এবং দেখবো কোন কাজটি সবার আগে
আমার কাছে সহজ এবং কম পরিশ্রবে ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারব এবং এরপর আমাদের
কাছের কোন এ সম্পর্কিত ভালো জানে কিংবা বোঝে এ ধরনের ব্যক্তির কাছে
সহযোগিতা নিব এবং সে কাজটি শুরু করব এবার দেখার পালা যে কোন কাজটার ফলে
বেশি ভাবে করে লাভবান হতে পারছি। তার পাশাপাশি আমাদেরকে টাকা উঠানোর
ব্যবস্থা করতে হবে সেজন্য আমরা অ্যাকাউন্ট তৈরি করব হয়তো বা বিকাশ না হয়
নগদ না হয় ডলারের মাধ্যমে সেজন্য আমাদেরকে নির্দিষ্ট একটি একাউন্ট করতে
হবে যার সহযোগিতায় আমরা সে টাকাটায় উঠাতে সক্ষম হবো
এর পাশাপাশি আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে কোন ফোন দিয়ে সব থেকে ভালো
কার্যক্রম করা সম্ভব হবে এবং এটির ব্যাটারি ও রেম রম এর উপরেও চিন্তাভাবনা
করে কেনা লাগবে। এবং সব থেকে বড় বিষয় সেটা হলো অভিজ্ঞ আমরা সেটা কিভাবে
অভিজ্ঞ একজন হয়ে উঠব যার জন্য অনায়াসে এত হিউজ পরিমাণ আমরা আয় করতে
পারবো সেজন্য আমাদেরকে করনীয় কিছু নিয়মাবলী আছে তা মেনে চলতে হবে।এবার
শুরু হচ্ছে ভিডিও এডিটিং করে ইনকাম ভিডিও এডিটিং এর জন্য আমাদের সর্বপ্রথম
প্রয়োজন ভালো ফোন ও ফোনের ক্যামেরা ভাল ফোন না হলে সে ফোনে ক্যামেরাও ভালো
হবে না এটা স্বাভাবিক সেজন্য আমাদেরকে একটি ভালো ফোন ও একটা ক্যামেরা দিয়ে
শুরু করতে হবে এবং একটি ছোট স্কিপ তৈরি করে সেটা ক্যাপ কার্ড প্রো কিংবা
ক্যানভাতে গিয়ে সেটা এডিট করে আমাদের কাস্টমারদের কাছে সেটাকে রিপ্রেজেন্ট
করতে হবে কিন্তু আমাদের প্রোডাক্ট অর্থাৎ সে ভিডিওটা কিভাবে তৈরি করব কি
তাছাড়া কাস্টমারের কোন পছন্দের রিভিউ আছে কিনা এছাড়া কাস্টমারদের চাহিদা
সম্পূর্ণ বুঝে শুনে সেটাকে তাদের মনের মতন করে গড়ে তুলবো এর মাধ্যমে আমরা
একটি ফোন দ্বারা অনলাইন থেকে আয় করে থাকতে পারি সাধারণ ফোন দিয়ে এগুলো
করা সম্ভব তবে শুধু খেয়াল রাখতে হবে সে ফোনে ক্যামেরা ও রাম রম জানো ভালো
হতে চাই তাছাড়া এই ধরনের ভিডিও কিংবা ফটো এডিট করা বা ক্যাপচার করা
ক্যামেরা তে খুবই খারাপ অবস্থায় নিয়ে আসতে পারে।
এরপর আসছে অনলাইনে গ্রাফিক্স ডিজাইন আমরা বিভিন্ন ফোন থেকে দেখি বিভিন্ন
পোস্টার লোগো কিংবা আকর্ষণীয় ব্যানার তৈরি এগুলোকে বলা হয় গ্রাফিক্সের
কাজ যা আমরা একটি ফোন দাঁড়ায় সম্পূর্ণ করতে পারি তবে সব ধরনের নয় কিছু
বেসিক কাজগুলো আছে যা আমরা ফোন দেই সম্ভব করতে পারি সে কাজগুলো করে আমরা
কাস্টমারদের কাছে ফেললে হিউজ পরিমাণ আর্ন করে থাকতে পারে অনলাইন থেকে এটা
হচ্ছে আরেকটি ঘরে বসে হাতে থাকে ফোনটি দিয়ে ইনকাম করার বিশেষ সুযোগ। এরপর
আসছে ঘরে বসে এফেলিট মার্কেটিং করে আয় এখন আমাদেরকে বুঝতে হবে এফিলিট
মার্কেটিংকে এফিলেট মার্কেটিং হচ্ছে এমন একটি মার্কেট যেখানে আমরা অনলাইনে
মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট কিংবা বিভিন্ন ধরনের বস্তুকে মানুষের
সামনে তুলে ধরে এবং সেটা অন্যজনের কাছে থেকে আমরা মানুষের কাছে পৌঁছে দি তা
সকলের দেখা মাত্রই যখন সেটা কেনে এবং সেটাকে বলা হয় এফেক্ট মার্কেটিং এতে
সবচেয়ে বড় সুবিধা হল কোন রিক্স নেই এবং আরো একটি দিক হচ্ছে কোন লস কিংবা
প্রোডাক্ট রাখার জায়গা লাগবে না এটি সম্পূর্ণ অন্যদের আপনি শুধু এখানে
একজন সেলসম্যান হয়ে জিনিসটা বিক্রি করবেন এতেই আপনার একটি নির্দিষ্ট
অ্যামাউন্ট আপনার একাউন্টে চলে আসবে এটাকে বলে কোন লস ছাড়াই বুদ্ধি
খাটিয়ে ইনকাম করে আয় করার নিয়ম এটাকেই বোঝাচ্ছে অ্যাফিলিট মার্কেটিং।
এইগুলো দারা কতটুক ইনকাম করা সম্ভব
প্রথম ৩-৬ মাস পর থেকে প্রতি প্রতি মাসে ১৫০০০ থেকে ৫০০০০ হাজার টাকা ইনকাম
করতে পারা যাবে এতে আপনাকে অনবরত প্রতিদিন নতুন কিছু আর্টিকেল কিংবা নতুন
কিছু কাজ খুঁজতে হবে তার পাশাপাশি কিছু প্যাসিভ ইনকামও রাখতে হবে এতে
আপনাকে যতদিন যাবে তত আয়ের পরিমাণটা বৃদ্ধি হতে থাকবে এই প্যাসিম ইনকামের
জন্য বর্তমানে মানুষেরা বেশি আয় করে থাকে এতে একটিভ ইনকামের থেকে বেশি
প্রফিট কামানো সম্ভব। এছাড়া আপনাকে প্রতি শব্দের জন্য ৩০ পয়সা থেকে ১
টাকা দেয়া হবে। এতে করে আপনার প্রতিটি ১০০০ ওয়াটের আর্টিকেলের জন্য ৩০০
থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকবে এখানে যদি ধরা যায় মাসের হিসাবটা
তাহলে মাস পেরিয়ে আপনার অ্যাক্টিভ ইনকামে এখান থেকে চলে আসবে ৩০০০০ থেকে
৪০০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
এখানে আসলে ঘরে বসে রাইটিং লেখার একটি ক্যাপচার ছবি দেখানো হলো যেখানে বোঝা
যাচ্ছে একটি ছেলের খুব অনায়াসে বাসায় বসে থেকে তার হাতে থাকা ফোনটি দিয়ে
তৈরি গ্রাফিক্স ডিজাইন টিউশনি অনুবাদ অথবা টাইপিং এছাড়াও রয়েছে অনলাইন
ব্যবসা এগুলোর মাধ্যমে সে সপ্তাহে ৪০০০ থেকে ৫০০০ হাজার টাকা অনায়াসে আই
করে থাকতে পারে।
গুগল দারা ইনকাম
এখন আমরা দেখব গুগল দিয়ে কিভাবে আয় হয়। মূলত গুগলে কোন নির্দিষ্ট
কেন্দ্রিক যেকোনো একটি আয় এর কথা বলা হয়নি এখানে রয়েছে হাজারো উপায়
google দেয় ইনকাম করার যেমন আমরা দেখতে পাব Google AdSense দিয়ে আয়
নিজের ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখে ভিজিটর আনে এর মাধ্যমেও আয় করা সম্ভবত
এছাড়া যোগ্যতা পূরণ করে এডসেন্স অনুমোদন পেলে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করা সম্ভব
অর্থাৎ গুগলে এডসেন্স দ্বারা খুব সহজে আয় করা পসিবল। আরো একটি দিক রয়েছে
Google bloggerঔ বিনা খরচে ব্লক তৈরি করে বাংলা ভাষা আর্টিকেল লিখতে পারেন
এর পরে যোগ্যতা ও নীতিমালা পূরণ করে আয় করতে পারেন এখানে রয়েছে সব থেকে
দারুন সুযোগ সেটা হল প্যাসিভ ইনকাম অর্থাৎ একবার লিখবেন বারবার আয় করবেন।
এ দারা বর্তমানে অনেক বিশ্বে প্রচুর মানুষ অর্থ উৎপাদন করে চলেছে এই
ছোট্ট পথ অবলম্বন করে আমরা প্রায় দেখে থাকি বাংলাদেশের অত্যাধিক মানুষ এটা
থেকে বর্তমানে আয় করছে। এ পড়ে রয়েছে YouTube থেকে আয় মোবাইল দিয়ে
ভিডিও বা যেকোনো ছোট্ট স্ক্রিপ্ট করে সেটা ছাড়ার পর গুগল দ্বারা সেখানে
একটা অংশ অর্থাৎ কিছু অর্থ প্রদান করা হয়। এরপর রয়েছে ফিন্যান্সিং ও
google স্কেল এসইও গুগল সার্চ ইঞ্জিনে ওয়েবসাইট রেংক করানোর কাজ শিখে
লেন্সিং করা যায় গুগল লোকাল গাইড যেমন এখান থেকে পরামর্শ নেওয়া সম্ভব
এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা।
অনলাইন ব্যবসা করে আই
বর্তমান যুগে অনলাইন ব্যবসাতে অনেক লাভজনক বা ক্ষতিকর দিক রয়েছে তার মধ্যে
সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে পুঁজি আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে অনলাইনে দিক থেকে
পুঁজি প্রয়োজন হয় আবার পুঁজি ছাড়াও ব্যবসা করা সম্ভব। ব্যবসার ধরন ও
অপূর্ণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা দুই রকম ব্যবসার ক্ষেত্রে হয়ে
থাকে প্রথম দিক রয়েছে যেমন হাতে বানানো পোশাক খাবার কিংবা অগ্রগামী
ইত্যাদি হয়ে থাকে ব্যবসার ক্ষেত্রে। ওর দিকে রয়েছে ড্রপ শিপিং অর্থাৎ
সেলিং ব্যবসা কোন কিছু আপনি বিক্রি করলেন অনলাইন মার্কেটে কিংবা অফলাইন
মার্কেটে সেটা এক ধরনের ব্যবসা দুই ধরনের হয়ে থাকে এবং দুই ধরনের লাভ এবং
ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় প্রত্যেকে ব্যবসা পরিকল্পনা পণ্যের দাম ডেলিভারি
এবং বিভিন্ন ধরনের সেবা সমূহ এর উপরে নির্ভর করে।
আরো পড়ুনঃ তুমি প্রথম তুমি শেষ
আপনি যদি একটা সোশ্যাল ইন্টারফেস অর্থাৎ ওয়েবসাইট ডেভেলপার হয়ে থাকেন
সেক্ষেত্রে আপনি সবথেকে ভালো হতে পারে ডেলিভারি অনলাইন উপস্থিতি তৈরি
তাছাড়া আরও একটি ব্যবসা রয়েছে মার্কেটিং ও প্রচার মুখোমুখি প্রচার
সোশ্যাল মিডিয়া এন্ড এবং মার্কেটিং কনটেন্ট এগুলোর মাধ্যমেও অনলাইন ব্যবসা
করা সম্ভব।
কাস্টমার সার্ভিস ও ডেলিভারি আপনি মানুষকে এমন একটা সার্ভিস দিলেন যা আপনাদের কাছে কাস্টমাররা খুব লাভ ও পরিচিতি পেয়ে গেছেন সে ক্ষেত্রে রিভিউ ক্রেতাদের মেজাজ বা মেসেজের পড়ে নির্ভর করে নির্ভরযোগ্য কুরিয়ার সার্ভিসের এর মধ্যে প্রয়োজন রয়েছে চারধারায় আপনার ব্যবসা অতি উন্নত ও অগ্রগামী হতে পারে
পুঁজি ছাড়া ব্যবসা
আপনার বাংলাদেশের জিরো টাকা খুঁজিতে অর্থাৎ এক টাকাও না থাকে সেক্ষেত্রে
আপনি কি করতে পারেন আপনার জন্য সবথেকে বাস্তবসম্মত উপায় হল অর্ডার নিয়ে
পণ্য বিক্রি করা অর্থাৎ এটাকে বলা হয় রিসেলিং এটি শুরুদেব পণ্য কিনে মজুদ
করতে হবে না। মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মেসেজ বা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে
ক্রেতা খুঁজতে পারেন এতে অনায়াসে মাসে একটি নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট আপনার
একাউন্টে যোগ হবে এখন সব থেকে প্রয়োজনীয় বিষয় কি নিয়ে পোস্ট করবেন বা
এই সকল অনলাইন প্রোডাক্ট আপনি দেখাবেন মানুষকে যেমন রয়েছে টি-শার্ট থ্রি
পিছ এর পণ্য পোশাক আশাক ছোট বাচ্চাদের আইকনিক কিছু ডিজাইন কিংবা পৌঁছে
যাওয়ার ভয় নেই সে ক্ষেত্রে সকল ব্যবসাতে অত্যাধিক যাওয়ার কোন সমস্যা
নেই।
সর্বপ্রথম ব্যবসা শুরু করার আগে জলিলের সত্তর কথা রয়েছে কিছু যেমন
প্রতারণার ভয়। লাভ ও বিক্রি এক নয় এর অর্থ মোট বিক্রির টাকা থাকে পণ্যের
দাম ফেরত ও অন্যান্য খরচ বাদ দেওয়ার পরে প্রকৃত লাভ হিসাব করা। এছাড়াও
রয়েছে ডেলিভারি কুরিয়ারের বর্তমান রেট ও ফেরত নীতি বাছাই করুন। এতে আপনার
লাভ ও লস হিসাব ক্লিয়ার হয়ে আসবে।
সাধারণত এগুলো সরবরাহকারী স্বাধীনভাবে যাচাই করা বা নিশ্চিত করা নিরাপদ বলে
প্রত্যাহিত নয় তাই প্রথমে কিছু শর্ত রয়েছে যেমন জব শিপিং এর ক্ষেত্রে
ড্রপ বাজার বিডির ক্ষেত্রে এছাড়াও রয়েছে সেল শপ। আমারও একটা এমন
ইন্টারফেস্ট তৈরি করব যেন সেখানে সকল কথা বাত্রা এবং সকল নীতিমালা নোটিশ
অগ্রগতি যেকোনো ক্রেতাকে আরো আগ্রহী ও সুবিধা দিয়ে আসবে যেমন পণ্যের দাম
জিজ্ঞাসা নিজের লাভ বিক্রি করতে পারা কি আপনার কি সরাসরি ক্রেতার ঠিকানা
পূর্ণ পাঠান এবং ডেলিভারি অথবা সকল রেজিস্ট্রেশন বা অন্য কোন ফ্রি আছে কিনা
এ সকল বিষয় আসলে সম্পর্কে বিস্তৃত জানা এবং বোঝানো প্রতিষ্ঠান এবং
বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট তৈরি হয়।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
আসলে সত্যিই ব্যবসা সুরোর জন্য আমরা সব সময় অংকের পুজি প্রয়োজন হয় না
সঠিক পরিকল্পনা ধৈর্য পরিশ্রম ও বিশ্বস্ত সরবরাহকারী খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে
অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করা সম্ভব। শুরুতে বেশি লাভের আশা না করে প্রথমে ভালো
পণ্য নির্বাচন করুন ক্রেতার বিশ্বাস অর্জন করুন এবং প্রতিটা অর্ডারের খরচ
লাভের হিসাব রাখুন। তবে কোন সরবরাহকারীকে যাচাই না করে টাকা দেবেন না এবং
ডেলিভারি ফেরত ও পেমেন্টের নিয়ম আগে থেকে পরিষ্কার করে দেবেন। মনে রাখবেন
সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা আয় করা একটি লক্ষ্য নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি
নয় প্রথমে বিক্রি কম হতে পারে কিন্তু অভিজ্ঞতা থেকে ধীরে ধীরে ব্যবসা
উন্নতি ঘটে। ছোট করে শুরু করুন সততার সাথে ব্যবসা করুন এবং ক্রেতার
সমষ্টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন নিয়মিত চেষ্টা করুন এবং হাল ধরে রাখুন
এবং আল্লাহ তাআলার উপরে বিশ্বাস স্থাপন করুন এটাই আপনার ব্যবসাকে কল্যাণ
বয়ে আনবে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনায় আপনার অনলাইন ব্যবসা কে এগিয়ে নেওয়ার
ভিত্তি হতে পারে।
তাই আজই শুরু করুন আপনার বিশ্বাস এবং আস্থার সাথে এগিয়ে যান আপনার
নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য নিয়ে ব্যবসার উদ্যোগে এবং খেয়াল রাখবেন কোথায়
কতটুকু ব্যয় হচ্ছে এবং কোথায় থেকে কতটুকু লাভ হচ্ছে এতেই আপনার আরও
ব্যবসার প্রতি অগ্রগতি ও চিন্তাভাবনা পরিবর্তন হতে থাকবে।এটাই আমাদের শেষ
কথা শুরু করুন এবং দেখুন জিনিসটা কত সুন্দর হবে তৈরি করা সম্ভব।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url