চাহিদা ও যোগান কাকে বলে
অর্থনীতি পরিভাষায় চাহিদা ও যোগান কে বলা হয় Demand ও Supply এই দুটি সমন্বয়ে বাজার ব্যবস্থার মূল। এখানে একটি সাথে অপরটি সম্পূর্ণ দিক দিয়ে সম্পর্কিত।সাধারণত যোগান অকল্পিতভাবে চাহিদা বৃদ্ধি পেলে পণ্যের দাম বাড়ে অপরদিকে পণ্যের দাম বাড়ায় যোগান বৃদ্ধি পেলে পণ্যের দাম কমে।
এভাবে চাহিদা ও যোগানের সম্পর্কিত সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে পণ্যের দাম ও বিক্রির পরিমাণ নির্ধারণ হয়।এই পদ্ধতিটা অনুসরণ করে বাজার ব্যবস্থা দাম ও বিক্রয় নির্ধারণ করা হয়। কোনটার ক্ষেত্রে কোনটা বাড়বে এবং কিভাবে উৎপাদনের মাধ্যমে দাম কমে আসবে এটা সম্পূর্ণ চাহিদা ওপর নির্ভর করে।
পোস্ট সূচিপত্রঃচাহিদা কমলে দ্রব্যের দাম কেন কমে? এর ৭
কিভাবে বিক্রেতা ক্রেতার কাছে লাভ অর্জন করে
সর্বপ্রথম একজন বিক্রেতা ক্রেতার কাছে তার ব্যবহারযোগ্য এবং প্রয়োজনীয় দ্রব্য
গড়ে তোলে। যেটা সেই সুবিধার জন্য অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে দ্রব্য কিনতেও রাজি থাকেন
আবার অন্যথায় সর্বপ্রথম ধরতে গেলে একজন বিক্রেতা ক্রেতার কাছে থেকে প্রধানত
পণ্যের উৎপাদন বা ক্রয় মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করে লাভ অর্জন করেন তবে
লাভ নির্ধারণের সময় পণ্য বা কোন উৎপাদনের খরচ বাদ দিয়ে সবকিছু খরচ ভাইদের
সরিয়ে হিসাব করে যে অর্থ ব্যয় হয় সে অর্থের সাথে কিছু অর্থ যুক্ত করে ক্রেতার
কাছে বিক্রি হলে এটি লাভ অর্জিত হয়।
আরো পড়ুনঃ সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা আয়ের উপায়
দ্বিতীয়ভাবে ধরতে গেলে আবার একজন ক্রেতা এক দোকানে 520 টাকার আম পেলেন আবার সেই
ক্রেতাই অন্য দোকানে একই আমের দাম ৪৯০ টাকায় পেলেন। দ্বিতীয় দোকান থেকে আম
কিনলে তিনি ৩০ টাকা বাঁচাতে পারবেন। নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য কিনে
ক্রেতা উপযোগ ও সমষ্টি এভাবে লাভ করে থাকেন।একাধিক ক্রেতার দাম তুলনা করে কম দামে
ভালো পণ্য কেনা সম্ভব আবার ক্রেতা পণ্যের মানসম্মত যাচাই করে কিনলে নিজের চাহিদা
পূরণ করতে পারবেন।
ক্রেতাদের চাহিদা ও পণ্যের মধ্যে অমিল ঘটে কেন
বাজারে যখন ক্রেতাদের নির্দিষ্ট একটি চাহিদা এবং পণ্যের মধ্যে পার্থক্য দেখা দেয়
তখন তাকে চাহিদা বা পণ্যের সাথে অমিল বলা হয়। সাধারণত পণ্যের দাম ক্রেতারাই
পণ্যের পছন্দ পরিবর্তন এর কারণে এ ধরনের অমিল ঘটে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পণ্যের
দাম এর ওপর নির্ভর করে।আবার কিছু কিছু দেখতে দেখা গেলে সময়ের পরে নির্ভর করে
পণ্যের দাম। যেমন শীতকালে গেঞ্জি কিংবা কাপড়-চোপড় বিক্রির সম্ভাবনা কমে যায়
এবং গরম কাপড়ের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
এমনই ভাবে সময়ের সাথে সাথে চাহিদারও সম্পর্ক রয়েছে কোন পণ্যের উৎপাদন কম হলে
বাজারে ক্রেতারে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব না। বেচারা কোথায় কি
দামে এবং কোন মানের পণ্য পাওয়া যায় তা না জানলে তাদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক কোন
নির্বাচন করা কঠিন হতে পারে। এইসব কারণে বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা ও পণ্যের মধ্যে
অমিল দেখা দিতে পারে সঠিক বাজার তথ্য উৎপাদন ও এর সমস্যা কমাতে পারে।
ক্রেতার সাথে বিক্রেতার মনমালিন্য
বাজারে পণ্য কেনা বাজার সময় ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে বিভিন্ন কারণে মদ বিভেদ
বা মনমালিন্য সৃষ্টি হতে পারে।সাধারণত পণ্যের দাম গুণগত মান, পরিমাণ এবং লেনদেনের শর্ত নিয়ে এই সমস্যা দেখা
দেয়। বিক্রেতা বেশি দাম চাইলে এবং ক্রেতা কম দামে কিনতে চাইলে উভয়ের মধ্যে মতমালিন্য হতে পারে। আবার ক্রেতা
ভালো মানের পূর্ণ আশা করেন কিন্তু বিক্রেতা নিম্নমানের পণ্য দিলে মনমালিন্য
সৃষ্টি হয়।এছাড়া আবার রয়েছে বিক্রেতা পণ্যের ওজনে কম দিলে ক্রেতা প্রতারিত বোধ করতে
পারেন। তাছাড়া বিক্রেতা পণ্যের ত্রুটি গোপন করে বিক্রি করলে ক্রেতা অসন্তুষ্ট
হন। আবার বিক্রেতা সঠিক সময় নির্ধারিত পণ্য সরবরাহ না করার ক্ষেত্রে ক্রেতার
মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়।
কিছু কিছু দিক দিয়ে এগুলোর মধ্যেই একজন ক্রেতা ও একজন বিক্রেতার মধ্যে
মনমালিন্য দেখা দেয় তবে মনমালিনের ক্ষেত্রে সাধারণত ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে
দুজনে ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন।সাধারণত এইসব সমস্যার কারণে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ে একধরনের ভোগান্তির শিকার হন। লেনদেনের স্বচ্ছলতা হলো সবথেকে বড় সহজ সমাধান আমরা যদি লেনদেনের সুবিধা যত সহজ করে ফেলতে পারব তত সহজে আমাদের কেনাবেচা করা সম্ভব হবে।আমরা যেমন বাজার বাসস্থা করবো তেমন সুবিদা পাবো।
বাজার ব্যবস্থা মূল নীতি বা কারবার
বাজার ব্যবস্থা হল এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ক্রেতা ও বিক্রেতা সামনাসামনি যোগাযোগ এবং চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবা নির্ণয় বা নির্ধারণ করতে পারা যায়। এটা বিস্তারিত বলতে গেলে ব্যক্তিগত মালিকানা ও স্বাধীনতা যেমন মানুষ নিজের সম্পদের মালিক হবে এবং কি উৎপাদন কি কেনাবেচা করবে তা নিজে ঠিক করে। আবার অন্যদিকে চাইলে ধরা যেতে পারে চাহিদা ও যোগাযোগের নিয়ম এছাড়া প্রতিযোগিতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটি সংজ্ঞা হিসেবে ধরা যায় তবে প্রতিটির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি করে উদাহরণ দেওয়া সম্ভব রয়েছে।যেমন মুনাফার হার কতটুকু লাভবান হবে লাভের আশায় উদ্যোক্তারা ঝুঁকি নেয় ও নতুন কিছু তৈরি করে সে ক্ষেত্রে অনেক বিক্রেতা বা অনেক কিছু তৈরি করে থাকে বা নতুন কিছু উদ্ভবনের আশায় একে অপরের সাথে সম্পর্কিত থাকে।
এছাড়া অনেক পাইকারি গন রয়েছেন যারা খুবই সীমিত লাভে অর্থাৎ একেবারে স্বল্প পরিমাণে লাভ করে সেটি অনেক বেশি হারে বিক্রি করে।এরমধ্যে যে আপনি যদি একটি ভালো উদাহরণ চান তাহলে আপনাকে একটি সবথেকে সেরা এবং চাঞ্চল্যকর উদাহরণ দেওয়া সম্ভব যেমন বাংলাদেশের উদাহরণ রমজান এলে ছোলা ও খেজুর এটা চাহিদা অনেকবারের ফলে দাম ও বারে দাম বাড়লে আমদানি কারীরাও বেশি পণ্য আনতে উৎসাহিত হয় ফলে ধীরে ধীরে যোগান বাড়ে। এটি গিয়ে বলা হয় একচেটিয়া ব্যবসা অর্থাৎ কোন একটি নির্দিষ্ট সময়কালীন কে উদ্দেশ্য করে বা সেসময়ের পরিবর্তে অর্থে আয়ের একটি সেরা মাধ্যম।
বেশি বেশি উৎপাদন করার উপায়
আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার ব্যবসা কারখানা কিংবা কৃষিতে বেশি বেশি উৎপাদন করার জন্য আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকারিতা বাড়ানোর কিছু সঠিক ব্যবহার চিহ্নিত করতে হয়।উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের দ্বারা আমরা আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কম সময়ে বেশি পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব এছাড়াও এতে আমাদের সেই পরিমাণ অর্থ কিংবা পরিশ্রম ব্যয় হয় না সেজন্যই এতে অত্যাধিক লাভ এবং ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। উৎপাদনের উপকরণ বাড়ানো এর মধ্যে জমি আবাদি জমির সঠিক ব্যবহার বছরে একাধিক ফসল যেমন ধান গম সবজি এগুলো উৎপাদন। শ্রম দক্ষ প্রশিক্ষিত শ্রমিক নিয়োগ কাজের পরিবেশ ভালো রাখা।
আরো পড়ুনঃতুমি প্রথম তুমি শেষ
মূলধন মেশিন সেট ব্যবস্থা গুদামজাত বিনিয়োগ। লিন মেনু ফ্যাকচারিং উৎপাদনের সাথে জড়িত অপ্রয়োজনীয় বা সময় নষ্ট করা বাদ দিয়ে প্রক্রিয়াটি সহজ করা। বাজারভিত্তিক উপায় চাহিদা বুঝে উৎপাদন করা কারণ ও বিক্রি হয় না তা বাড়িয়ে লাভ নেই ।প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেওয়া। রপ্তানি সুযোগ খোঁজা যাতে বড়বাজার পাওয়া যায়। এই ধরনের কিছু উৎপাদনের ব্যাখ্যা ও ব্যবসা ও কারখানা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কৌশল যারা থাকলেই বেশি বেশি উৎপাদন করা সম্ভব।শুধু পরিমাণ বাড়ালে চলবে না। মান, পরিবেশ ওর টেকসই ব্যবহারও দেখতে হবে। বেশি বেশি উৎপাদন করতে হলে আধুনিক প্রযুক্তির দক্ষ শ্রমিক মূলধন এবং উন্নত ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন এই সব উৎপাদনের সঠিক ব্যবহার উপাদান বাড়ায় উৎপাদন খরচ কমাতে সাহায্য করে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
চাহিদার সাথে সময়ের সম্পর্ক কি
চাহিদার সাথে সময় সম্পর্ক বলতে মূলত বোঝাই সময়ের সাথে সাথে কোন দ্রব্যের বা পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়া বা দাম কমে যাওয়া এটা শুধুমাত্র সময়ের প্রতিফলে ঘটে থাকে যেমন উদাহরণ হিসেবে দেখা না গেলে বোঝা যাবে নির্দিষ্ট ঋতু ভিত্তিক ফল কিংবা সবজি শুধুমাত্র সেই রীতিতেই খুবই সুলভ মূল্যে অতিরিক্ত থাকার ফলে স্বল্প দামে কেনা যায় আবার কিছুটা সময়ের পরিবর্তে অন্য ডিজিতে সেই ফল পাওয়া গেলেও খুব বেশি দামে আমাদের কিনতে হয়।যদি আমার তুলনা দিক দিয়ে ধরি শীতকালে যে সকল ফল শুধুমাত্র শীত মৌসুম ভিত্তিক উৎপাদিত হয় সেগুলো সেই সময়কালে খুবই স্বল্পমূল্যে এবং অত্যাধিক উৎপাদন করা সম্ভব ঠিক একই ফল যদি আমরা অন্য মৌসুমে অন্য সময় চাহিদা থাকলেও যথা স্বরূপ সে সময়ে উৎপাদিত হয় না সে কারণেই সে ফলের উচ্চ দাম নির্ধারণ করা হয় এটাকে বলা হয় সময়ের সাথে সাথে চাহিদা সম্পর্ক।
এছাড়া সময়ের সাথে মানুষের আয় রুচির জনসংখ্যা প্রযুক্তি এগুলো বদলায় সুতরাং সময়ের বিপরীতে মানুষের চিন্তা চেতনা বৃদ্ধি পায় ধরুন আজ থেকে ২০০ বছর আগে মানুষ পোশাক আশাক ডিজাইন সম্পর্কে বুঝত না আর আজ সময়ের সাথে সাথে পোশাক আশাকের মধ্যেও বিভিন্ন মানের বিভিন্ন ধরনের তাদের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে চাহিদা আকর্ষণ বৃদ্ধি পাবে এবং এর সাথে সাথে দাম ও পণ্যের মধ্যে অমিল ঘটবে।আপনাকে যদি দেখানো যায় এমন কিছু পণ্যের নাম যার দাম সময় পরিবর্তে বৃদ্ধি পায় এবং সময়ের পরিবর্তে কমে যাই তাদের মধ্যে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যেগুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলো সব থেকে বেশি।
যেমন শীতকালে গরম কাপড়ের চাহিদা বাড়ে, ঈদের আগে পোশাক ও খাবারের চাহিদা বাড়ে, গ্রীষ্মকালের পাখা এসি ও ফ্যান পানি এর চাহিদা বাড়ে। এমন ছোট্ট ছোট্ট বিষয়কে উল্লেখযোগ্য করে আমরা দেখতে পাই হাজারো জিনিস যেগুলো সময়ের পরিবর্তে দাম বৃদ্ধি পেয়ে থাকে আবার দাম কমে যায় এটাই বোঝা যাচ্ছে প্রতিটা জিনিসের ক্ষেত্রেই সময় অতি গুরুত্বপূর্ণ যা আমাদেরকে তার মতাপেক্ষিতে চলতে হয়।
চাহিদার আবির্ভাব ঘটে কেন
চাহিদার আবির্ভাব বলতে বোঝা যায় কোন নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট দ্রব্য যেটা সঠিক ভাবে একটি নির্দিষ্ট দামের উপরে নির্ভর করে যেটা সে সময় সেই যথেষ্ট মূল্য যথাসময়ে না থাকাই যে চাহিদা আমরা উন্মোচন করতে পারি না তাকে বলা হয় আবির্ভাব অর্থাৎ চাহিদার আবির্ভাব ঘটা আমরা যখন কোন নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট অর্থ নিয়ে কোন কিছু অর্জনের আশায় সে বস্তুর দিকে নেবার জন্য আকৃষ্ট হয় তখন সে বস্তুটি যথাযথ মূল্য প্রদান না করায় আমরা সেটিকে গ্রহণযোগ্য হিসাবে পাই না সেটাকে বলা হয় চাহিদার আবির্ভাব।
যদি উদাহরণ হিসেবে একটি বর্ণনা দেয়া হয় তাহলে বোঝা যাবে একজন গরীব মানুষের গাড়ি কেনার ইচ্ছা আছে কিন্তু কেনার ক্ষমতা নাই তাই গাড়ির বাজারে তার চাহিদার সাথে দ্রব্যের অমিল ঘটা এটাকে আবির্ভাব বলে।এটি উন্মোচন ও সম্পূর্ণ করতে তিনটি জিনিসের উপরে নির্ভর করে যেমন ইচ্ছা ও অভাব বোধ যা প্রথম কোন পণ্যের বা সেবার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। দ্বিতীয়ত হচ্ছে কেনার সামর্থ্য ইচ্ছা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বা সামর্থ্য থাকতে হবে। আর তৃতীয় নাম্বার হচ্ছে ব্যয়ের ইচ্ছা যে কোন জিনিস ব্যয় করার জন্য ক্ষমতা ও প্রস্তুত থাকতে হবে এতেই সক্ষম হবে চাহিদার অবির্ভাব কমাতে।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
চাহিদা ও যোগান সত্যিই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সাথে অবগতির অনেক মিল। আমরা চাহিদা বলতে কোন কিছু পাওয়াকে এবং যোগান বলতে কোন কিছু জোগাড় করে ব্যবহারযোগ্য হিসাবে গড়ে তোলা কেই বোঝা যায়। আমরা যে দৈনন্দিন জীবনের চাহিদা ও যোগান কে ব্যবহার করে আমরা যে সুবিধা ও অসুবিধা ভোগ করে থাকি এবং তার সমন্বয়ে ভবিষ্যতের প্রত্যাশা ভবিষ্যতে কোন পণ্যের দাম কিংবা মানুষের রুচি ও পছন্দ এছাড়া পণ্যের দাম পণ্যের উপযোগী এগুলো সবকিছুর উপরে নির্ভর করে যে পরিবেশে বলা হয় মানুষের অভাব ও প্রয়োজন থেকে চাহিদা উৎপত্তি হলেও প্রকৃত অর্থনৈতিক চাহিদা সৃষ্টি হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট দাম ও পণ্যের ইচ্ছা অপরিহার্য।
চাহিদা মূল উৎসাহ হলো মানুষের অসীম অভাব। সে অভাব যখন ব্যয়ের ইচ্ছা সমর্থন পায় তখন বাজার চাহিদা আবির্ভাব ঘটে এতেই বোঝা যায় আমাদের দৈনন্দিন চাহিদার মধ্যে আমাদের অভাব এবং চাহিদার প্রকারভেদ কত। তাই আজি আমরা লক্ষ্য করে এর সাথে এগিয়ে যায় কিভাবে আমাদের দৈনন্দ জীবনে চাহিদা ও যোগানকে সমন্বয়ে বজায় রাখতে পারি এবং নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়ে আমরা সেই চাহিদা এবং যোগান কে অর্থনীতি পরিভাষায় কিভাবে ব্যয় করে আমাদের সুবিধার্থে রক্ষা করতে পারি।


অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url